<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="FeedCreator 1.7.2" -->
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
    <channel>
        <atom:link href="http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog.rss" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <title>palash-blog</title>
        <description>palash-blog</description>
        <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog.php</link>
        <lastBuildDate>Thu, 04 Jun 2026 01:45:40 +0100</lastBuildDate>
        <generator>FeedCreator 1.7.2</generator>
        <item>
            <title>বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক ও দুর্গম ...</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/বিশ্বের-সবচেয়ে-বিপদজনক-ও-দুর্গম-কিছু-চলার-পথ।</link>
            <description>&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সড়ক পথ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক The North Yungas
 Road সড়কটি রয়েছে বলিভিয়ায়। সড়কটিকে মৃত্যু-সড়ক(Road of Death) বলা হয়। 
সড়কটি ৬০ কি: মি: দীর্ঘ এবং সমুদ্রপিষ্ট থেকে সর্বোচ্চ ৪৬৪০ মিটার উঁচুতে 
অবস্হিত। রোডটি অত্যন্ত সরু, কর্দমাক্ত, কুয়াশাচ্ছন্ন এবং ১০০০ মিটারের 
অধিক স্হান রেলিংবিহীন যা অত্যন্ত পিচ্ছিল। এই সড়কে গড়ে প্রতি সপ্তাহেই 
ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে এবং প্রতি বছর ২০০-৩০০ যাত্রী দুর্ঘটনায় মারা
 যান। তারপরও ঐ এলাকায় বাস-ট্রাক সহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলের একমাত্র সড়ক 
এটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/dangerousroad1.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/dangerousroad4.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;Guoliang Tunnel in Taihang mountains (China) অত্যন্ত বিপদজনক আরেকটি সড়ক।
 সড়কটি চালকের সামান্যতম কোন ভুলকে পিছে ফেরার সুযোগ দেয় না। ১২ ফুট চওড়া 
সড়কটির ৩০টি বিপদজনক মোড় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/DenRoadChina-0.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রেলপথ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রেল যোগাযোগে সবচেয়ে বিপদজনক ও ঝুকিপূর্ন 
রুট হিসাবে ধরা হয়ে থাকে Alaska - White Pass &amp;amp; Yukon কে। ২০ মাইল 
দীর্ঘ এই রেলপথটি ১৮৯৮ সালে তৈরী করা হয়। পাহাড়ের উপরে কিনারা ঘেষে আর 
জঙ্গলময় পরিবেশের এই রেলরুট পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/scenic-railroad--skagway-alaska--white-pass-and-yukon-route.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরেকটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ন রেলরুট রয়েছে আর্জেন্টিনায়। আর্জেন্টিনা-চিলি 
বর্ডার রুটের এই রেল যোগাযোগকে স্বাভাবিক ব্যাবস্হাপনা ধরা হয় না। কারন এই 
রেল যোগাযোগে রয়েছে ২১ টি পাহাড়ী টানেল, ৫০ ফুট অধিক উচ্চতার ১৩টি অতি 
দুর্বল ও খোলা ব্রীজ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/ArgentinaTrendsAlasNubes.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;পায়ে হাঁটা পথ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক পায়ে 
হাঁটা পথটি El Caminito del Rey/The King’s Little Pathway যা স্পেনের 
দুর্গম পর্বতে অবস্হিত। ১৯০৫ সালে এই পথটি তৈরী করা হয়। ভূমি থেকে ২৩০০ ফুট
 উচু পর্বতে একেবেকে বেয়ে উঠেছে এই পথ। মাত্র ৩ ফিট প্রশস্হ পথ যার নেই কোন
 রেলিং, অধিকাংশ জায়গা ভেঙ্গে গেছে। দৈর্ঘ্যে ৩ কি: মি: এই দুর্গম পথ। 
সামান্যতম অসতর্কতায় ঘটতে পারে মৃত্যু। ২০০০ সালে ৪ জন আরোহী এখানে 
দুর্ঘটনায় এক সাথে মারা যাওয়ায় পর থেকে এই পথটি বন্ধ রয়েছে। সংস্কারের কাজ 
চলছে। ২০১২ সালে আবারও পথটি খুলে দেয়া হবে বলে ঘোষনায় বলা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/DRoad-1.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিপদজনক আরেকটা পায়ে হাটা পথ রয়েছে চীনে। এটি Huashan পর্বতে ওঠার পথ। 
পর্বতটিতে ওঠার তিনটি স্তর রয়েছে। এর মধ্যে Sunrise Peak( East Peak), 
Lotus Flower Peak( West Peak), Falling Goose Peak( South Peak) এই জায়গা 
তিনটি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষন। পর্বতের সংকীর্ন পথ বেয়ে এখানে চলা অত্যন্ত
 ঝুকিপূর্ন। পদে পদে রয়েছে বিপদ। একটু অসতর্কতায় ঘটতে পারে মৃত্যু। তারপরও 
এই এ্যাডভেন্চার বারবারই পর্যটকদের টেনে নিয়ে যায় সেখানে। তাইতো 
ক্যাবলকারের ব্যাবস্হা থাকা সত্ত্বেও অনেকে দুর্গম ও বিপদজনক এই পথ বেয়ে 
পর্বতে ওঠেন এ্যাডভেন্চারের জন্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/03-DenF.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;/p&gt;</description>
            <pubDate>Sat, 13 Aug 2011 21:23:40 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>জীবন্ত গাছের শিকড়ের সেতু!</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/জীবন্ত-গাছের-শিকড়ের-সেতু-</link>
            <description>&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/RootB-2.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/RootB-3.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/RootBr-7.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;জীবন্ত গাছের শিকড়ের সেতু ভারতের উত্তর-পূর্বে চেরাপুন্জিতে দেখতে পাওয়া 
যায়। Ficus elastica গাছের প্রচুর পার্শ্ব শিকড় ছড়িয়ে পরে যা অত্যন্ত লম্বা
 ও শক্তিশালী। শিকড়গুলো নদীর/খালের এপাড় থেকে ওপারে বিস্তার লাভ করে এবং 
প্রাকৃতিক এই সেতু তৈরী করে ফেলে। ফলে মানুষ বা অন্য প্রানীরা অনায়াসে এই 
প্রাকৃতিক সেতু যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারে। কিছু কিছু সেতুর দৈর্ঘ্য
 ১০০ ফুটেরও বেশী। মোটামুটি গড়ে পনের বছর মতো লাগে সেতুগুলি প্রাকৃতিকভাবে 
তৈরী হতে। সেতুগুলি এতোই মজবুত যে একসাথে ৫০ জন মানুষের ভার এরা এক সাথে 
ধরে রাখতে পারে। চলাচলের সুবিধার জন্য কয়েকটি সেতুর কিছু কিছু জায়গায় মানুষ
 পাথর বসিয়ে নিয়েছেন।&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Sat, 13 Aug 2011 21:14:37 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>এক নজরে ক্ষুদিরাম</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/এক-নজরে-ক্ষুদিরাম</link>
            <description>&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/220px-Khudiram_Bose.jpg&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/bQ6SP.jpg&quot; style=&quot;width: 325px;&quot;&gt;&lt;br&gt;১০৩ বছর আগে আজকের এই দিনে (১১ আগস্ট) ক্ষুদিরামকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ছবিটি
 ফাঁসিতে ঝুলানোর কিছুক্ষন আগে তোলা। ফাঁসিতে ঝুলানোর সময়ও তার মুখে হাসি 
লেগেছিল। // একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি/হাসি হাসি পরবো ফাঁসি। // দেখবে 
ভারতবাসী// &lt;br&gt;&lt;br&gt;ক্ষুদিরাম বসু (১৮৮৯-১৯০৮) ভারত উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা 
আন্দোলনের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে আগস্ট
 ১১, ১৯০৮ এ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়।&lt;br&gt;&lt;p&gt;ক্ষুদিরামের জন্ম হয় ৩ 
ডিসেম্বর, ১৮৮৯, অবিভক্ত বাংলার মেদিনিপুর জেলার বহুভাইনি গ্রামে। তাঁর 
পিতা, ত্রৈলোক্যনাথ বসু নাদাজোলের স্থানীয় জমিদারের তহশীলদার ছিলেন। 
ক্ষুদিরামের মাতার নাম লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। অল্প বয়সেই মাতাপিতাকে 
হারিয়ে বড় বোনের কাছে লালিত পালিত হন। শিক্ষা জীবন শুরু করেন তমলুকের 
হ্যামিল্টন স্কুলে। পরবর্তীকালে মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল পড়ার সময় 
সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সান্নিধ্য লাভ করেন। ১৯০২ সনে যূগান্তর দলে যোগ দিয়ে 
বিপ্লবী কর্মকান্ডে মনোনিবেশ করেন।&lt;/p&gt;&lt;br&gt;&lt;p&gt;শেষ দৃশ্যঃ &lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯০৮ সালের
 ১১ আগস্ট ভোর পাঁচটায় আজকের এই দিনে ব্রিটিশ সরকার ১৮ বছরের এক তরতাজা 
যুবককে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাল। কারাফটকের বাইরে তখন হাজারো জনতার কণ্ঠে 
ধ্বনিত হচ্ছে ‘বন্দেমাতরম’ স্লোগান। ফাঁসিতে ঝোলানোর আগে কারা কর্তৃপক্ষ 
যুবকটির কাছে জানতে চাইল, মৃত্যুর আগে তাঁর শেষ ইচ্ছা কী? যুবকটি এক 
সেকেন্ড অপেক্ষা না করেই নিঃশঙ্কচিত্তে বলে উঠলেন, ‘আমি ভালো বোমা বানাতে 
পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই।’ উপস্থিত 
কারা কর্তৃপক্ষ সেদিন বিস্মিত হলো যুবকটির মানসিক দৃঢ়তা আর ব্রিটিশ 
সাম্রাজ্যবাদের প্রতি তীব্র ঘৃণাবোধ উপলব্ধি করে। সেদিনের সেই যুবকই হচ্ছেন
 অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু। &lt;/p&gt;&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Sat, 13 Aug 2011 21:05:56 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>আপনার উইন্ডাউজ ৭ এ Flip 3D Taskbar করুন কোনো ...</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/আপনার-উইন্ডাউজ-৭-এ-flip-3d-taskbar-করুন-কোনো-software-ছাড়া</link>
            <description>&lt;p&gt;১। Desktop এ Right-click করুন, select New এবং select Shortcut&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২। location এ টাইপ করুন &quot;C:\Windows\System32\rundll32.exe dwmapi #105&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩। ক্লীক Next এবং নাম দিন &quot;Window Switcher&quot; এবং ফিনিশ দিন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪। Right-click করুন Window Switcher shortcut এবং Properties এ ক্লীক করুন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫। Change Icon button এ click করুন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬। Look for icons in this file এ টাইপ করুন &quot;%SYSTEMROOT%\system32\imageres.dll&quot; এবং Enter চাপুন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৭। প্রথম আইকন select করে ওকে করুন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৮। ওকে করে বন্ধ করুন properties dialog&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৯। Window Switcher shortcut মাউস দিয়ে ধরে taskbar এ ছেড়ে দিন &lt;/p&gt;</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:20:05 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>কম্পিউটার ভাইরাসঃ</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/কম্পিউটার-ভাইরাসঃ</link>
            <description>কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন অথচ ভাইরাসের নাম শোনেননি বা ভাইরাসের কবলে 
পড়েননি এমন ব্যবহারকারী খুব কমই আছে। কম্পিউটারে লুকিয়ে থেকে ব্যবহারকারীর 
অজান্তে এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করে। ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা, 
সতর্ক থাকলে এর ভয়ঙ্কর প্রভাব, ক্ষতি থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করা যায়। &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাস কী &lt;/strong&gt;&lt;br&gt;কম্পিউটার
 ভাইরাস একটি প্রোগ্রাম মাত্র, যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে
 পড়ে এবং হার্ডডিস্কের মূল্যবান তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও কম্পিউটারের স্বাভাবিক
 কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যেহেতু এটি একটি প্রোগ্রাম সুতরাং 
প্রোগ্রামারের বেঁধে দেয়া কাজের বাইরে অন্য কোনো কিছু ভাইরাস করতে পারে না।
 &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাসের ইতিহাস&lt;/strong&gt; &lt;br&gt;প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস 
‘ইল্ক ক্লোনার’ তৈরি হয় ১৯৮২ সালে। সে হিসেবে কম্পিউটার ভাইরাসের বয়স ২৫ 
বছর। ১৫ বছর বয়সী হাইস্কুলের ছাত্র রিক স্ক্রেন্টা ভাইরাসটি তৈরি করে। 
অ্যাপল-২ কম্পিউটারে ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এটি। ফ্লপি ড্রাইভে 
কোনো ডিস্ক ঢোকালে ভাইরাসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাতে ঢুকে যেত। আবার আক্রান্ত 
ফ্লপি অন্য যেসব কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো ভাইরাসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে 
সেখানেও ঢুকে যেত। প্রতি ৫০ বার কম্পিউটার চালুর সময় এটি মনিটরে একটি কবিতা
 প্রদর্শন করত। ১৯৮৬ সালে ‘ব্রেইন’ নামে আরেকটি ভাইরাস তৈরি করেন 
পাকিস্তানের লাহোরের দুই সহোদর বাসিত এবং আমজাদ ফারুক আলভি। ‘ব্রেইন’ 
হার্ডডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রান্ত করত। ফলে হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা পড়া যেত
 না। ২৩ বছর বয়সী রবার্ট মরিস ১৯৮৮ সালে ছাড়েন ‘মরিস-ওয়র্ম’, যা 
হার্ডডিস্কে নিজেকে রেপ্লিকেট [নিজের অনুরূপ কপি তৈরি] করার মাধ্যমে 
কম্পিউটারে মেমোরি হ্যাং করে দেয়। বিকল হয়ে যায় ৬ হাজার কম্পিউটার। জেলে 
যাওয়ার কথা থাকলেও ১০ হাজার ডলার জরিমানা ও ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবে না 
এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেঁচে যায় মরিস। এরপর আরো অনেক ভাইরাস আসে। ১৯৯৯ সালে 
ছড়ায় ভয়াবহ ভাইরাস ‘মেলিসা’। আক্রান্ত ব্যক্তির মাইক্রোসফট আউটলুকে 
সংরক্ষিত ই-মেইল নিজের কপি পাঠাতো এটি। হার্ডডিস্কে থাকা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
 ডকুমেন্টকে নষ্ট করে দিত এটি। আনুমানিক ৮০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি করা এই 
ভাইরাসের কারণে সে সময় অ্যান্টিভাইরাসের বিক্রি রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। ২০০০ 
সালে সারাবিশ্বের কম্পিউটারের ওপর ভয়াবহ আঘাতটি আসে। ভিজ্যুয়াল বেসিক 
স্ক্রিপ্টিং ভাষায় তৈরি ‘আইলাভইউ’ ওয়র্মটি [ একধরনের ভাইরাস] বিশ্বের প্রায়
 ৪৫ মিলিয়ন কম্পিউটার আক্রান্ত করে এবং ৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করে। মাত্র 
একদিনে ই-মেইলের মাধ্যমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে যায় এটি। পেন্টাগন, সিআইএ ও 
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মতো বাঘা বাঘা প্রতিষ্ঠানকে তাদের সার্ভার বìধ রাখতে
 হয় এই ভাইরাসের ভয়ে। অনুসìধান করে ফিলিপাইনের এক ছাত্রকে অভিযুক্ত করে 
ইন্টারনেট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ফিলিপাইনের আইনে সাইবার অপরাধের কোনো বিচার না
 থাকায় কিছুই হয়নি অভিযুক্ত ছাত্রটির। ২০০১ সালে আসে জনপ্রিয় টেনিস তারকা 
‘আনা কুর্নিকোভার’র নামে কুর্নিকোভা ভাইরাস। ভাইরাসটির কাজ ছিল কুর্নিকোভার
 ছবি মেইলের মাধ্যমে অন্যদের কাছে পাঠানো। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাসের প্রকারভেদ&lt;/strong&gt; &lt;br&gt;ইন্টারনেট
 দুনিয়ায় বহু ধরনের ভাইরাস রয়েছে। এদের উৎস, আক্রমণের কৌশল, লক্ষ্য, ক্ষতির
 ধরন এর ওপর ভিত্তি করে একে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়­ &lt;br&gt;&lt;strong&gt;ওয়র্ম&lt;/strong&gt;
 : এ ধরনের ভাইরাস সাধারণত করপোরেট নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে 
ছড়িয়ে থাকে। ইন্টারনেটের ব্যবহার দিন দিন যতই বাড়ছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত 
হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। ‘আইলাভইউ’ ভাইরাসটি ছিল ওয়র্ম শ্রেণীর। বেশিরভাগ 
ওয়র্ম তৈরি হয় স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে। ওয়র্মের আরো কয়েকটি উদাহরণ 
হচ্ছে ট্রাইল, মি, লাভগেট, এফ, ম্যাপবন। &lt;br&gt;&lt;strong&gt;ট্রোজান হর্স &lt;/strong&gt;:
 এই ভাইরাস অন্য প্রোগ্রামের ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকে। যেমন মধসব.বীব নামে 
থাকতে পারে। কেউ এটাকে গেম মনে করে ক্লিক করলেই বিপদ। ভাইরাসটি নিজের রূপে 
দেখা দেবে। এই ভাইরাসটি ফাইল মুছে দেয় এবং হার্ডডিস্ক ফরম্যাট করে দেয়। 
রৎপ.ংী২ এবং ঞৎরভড়ৎ ট্রোজান এর উদাহরণ। &lt;br&gt;&lt;strong&gt;স্প্যাম&lt;/strong&gt; : 
যারা নিয়মিত ই-মেইল চেক করেন তারা স্প্যাম কী ভালোই বোঝেন আশা করি। 
স্প্যামাররা সাধারণত স্প্যামের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করে 
থাকে। বিজ্ঞাপনগুলোতে কখনো থাকে আকর্ষণীয় পুরস্কারের ঘোষণা আবার কখনো থাকে 
সাহায্যের আবেদন, যার সবই ভুয়া। এমনকি স্প্যামাররা যেসব নাম, ঠিকানা, কোনো 
নাম্বার ব্যবহার করে সেগুলোও মিথ্যা। বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য 
অনেকে স্প্যাম ব্যবহার করে। কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সম্পদ ব্যবহারের 
মাধ্যমে স্প্যাম এক দিকে যেমন নেটওয়ার্কের গতি কমায় অন্যদিকে অনাহূত 
ই-মেইলের মাধ্যমে মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট করে। &lt;br&gt;&lt;strong&gt;অ্যাডওয়্যার &lt;/strong&gt;:
 নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই ভাইরাসের কাজ। ব্যবহারকারীর উইন্ডোতে অ্যাড বা 
বিজ্ঞাপন সেঁটে দেয় একটি। ইন্টারনেটে গিয়ে কোনো পেজ খুললে ব্রাউজারের 
উইন্ডোতে একটি বারের মাধ্যমে এ কাজ করে ভাইরাসটি। কেটে দিলেও কিছুক্ষণ পর 
আবার দেখা দেয়। &lt;br&gt;&lt;strong&gt;স্পাইওয়্যার&lt;/strong&gt; : গোয়েন্দাগিরি করাই এই 
ভাইরাসের কাজ। অন্য সফটওয়্যারের আড়ালে লুকিয়ে থেকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার 
থেকে তথ্য চুরি করে ব্যবহারকারীর অজান্তে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেয়। 
অন্য কোনো সফটওয়্যারের সাথে লুকিয়ে থাকার সময় ওই সফটওয়্যারের সাথে ইনস্টল 
হয়ে যায়। স্পাইওয়্যার কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নিতে পারে, এর
 সহায়ক কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারে। ওয়েব ব্রাউজারকে অন্য কোনো 
ঠিকানায় ডাইভার্ট করে দিতে পারে। হ্যাকারদের কাছে এটি খুব জনপ্রিয়। 
স্পাইওয়্যার দূর করতে অনেক সময় অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে সেটআপ দেয়া লাগে।
 &lt;br&gt;&lt;strong&gt;বুট সেক্টর ভাইরাস&lt;/strong&gt; : প্রথম দিকের ভাইরাসগুলোর 
বেশিরভাগই ছিল বুট সেক্টর ভাইরাস। হার্ডডিস্ক বা ফ্লপি ডিস্কের বুট সেক্টরে
 লুকিয়ে থাকে এটি। এই ভাইরাস প্রথমে বুট সেক্টরে আঘাত হানে তারপর কম্পিউটার
 চালু হওয়ার সাথে সাথে হার্ডড্রাইভে চলে যায়। বর্তমানে বুট সেক্টর ভাইরাসের
 অস্তিত্ব নেই। কারণ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে একে সহজে দূর করা যায়। &lt;br&gt;&lt;strong&gt;ম্যাক্রো ভাইরাস&lt;/strong&gt;
 : যেসব প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন ম্যাক্রো সাপোর্ট করে তারাই এই ভাইরাসের
 মূল টার্গেট। এ রকম কয়েকটি প্রোগ্রাম হচ্ছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল 
স্প্রেডশিট, পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সেস ডেটাবেজ, কোরেল ড্র ইত্যাদি। কতগুলো 
ধারাবাহিক কম্পিউটার অপারেশন একটিমাত্র নির্দেশের মাধ্যমে সম্পাদন করার 
জন্য ম্যাক্রো ব্যবহার হয়। ম্যাক্রো সাপোর্টেড ডকুমেন্ট খোলার সাথে সাথে 
ম্যাক্রো ভাইরাস কার্যক্রম শুরু করে। এরা ফাইল নষ্ট করে। &lt;br&gt;হক্স : হক্স 
মানে প্রতারণা। সুতরাং এই ভাইরাসটির কাজও তাই। অনেকে নতুন ভয়ঙ্কর ভাইরাস 
এসেছে বলে ই-মেইলে গুজব ছড়ায়। এটাকে বলা হচ্ছে হক্স ভাইরাস। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাস যেভাবে ছড়ায়&lt;/strong&gt; &lt;br&gt;সবচেয়ে
 বেশি ভাইরাস ছড়ায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। ই-মেইলের মাধ্যমে খুব সহজে এবং 
দ্রুত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। ২০০০ সালে গোটা বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী লাভবাগ 
ভাইরাস ই-মেইলের মাধ্যমেই ছড়ায় মাত্র এক দিনে। ইন্টারনেট থেকে কোনো 
প্রোগ্রাম, ফাইল, সফটওয়্যার ডাউনলোড করার সময় কম্পিউটারে ভাইরাস চলে আসতে 
পারে। এ ক্ষেত্রে ডাউনলোড করা সফটওয়্যারে ভাইরাস লুকিয়ে থাকে। নেটওয়ার্ক 
সিস্টেমে কোনো কম্পিউটার আক্রান্ত হলে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অন্য কম্পিউটারেও
 ভাইরাস ছড়াতে পারে। এ ছাড়া ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভের মাধ্যমেও 
ভাইরাস ছড়ায়। বিশ্বের প্রথম ভাইরাসটি ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে ছড়ায়। ইদানীং 
পেন ড্রাইভ, এমপি-থ্রি’র প্রচলন বেশি হওয়ায় এদের মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াচ্ছে। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু &lt;/strong&gt;&lt;br&gt;উইকিপিডিয়ার
 পরিসংখ্যান অনুযায়ী এ পর্যন্ত মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমে 
[ওএস] ভাইরাসের আক্রমণ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হওয়া
 এই ওএস -এ মোট ভাইরাস পাওয়া গেছে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৪০ হাজার। একই কোম্পানি 
পুরনো ওএস এমএস ওস -এ আক্রমণ করে ভিন্ন প্রকৃতির ৪ হাজার ভাইরাস। অন্য দিকে
 শক্তিশালী, অধিকতর নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সও বাদ যায়নি ভাইরাসের 
হাত থেকে। লিনাক্সকে টার্গেট করে এ পর্যন্ত তারা ছেড়েছে প্রায় ৩০টি ভাইরাস।
 অ্যাপল কোম্পানির ম্যাক ওএস -এ ৬৩টি, এমবেডেড ওএস সিম্বিয়ানে ৮৩টি ভাইরাস 
আক্রমণ করে। ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে বাইনারি বা এক্সিকিউটেবল 
ফাইল যেমন .পড়স, .বীব, .ংুং, .নরহ, .ঢ়রভ, .বষভ বা যেকোনো ডেটা ফাইল। এ ছাড়া
 ফ্লপি ডিস্ক, হার্ডডিস্ক, মাস্টার বুট রেকর্ড ইত্যাদিও ভাইরাসের টার্গেট। 
স্ক্রিপ্ট ফাইল যেমন ব্যাচ ফাইল, ডিবি স্ক্রিপ্ট, শেল স্ক্রিপ্ট ইত্যাদির 
মাধ্যমে সহজে বিস্তার করা যায় বলে এরাও ভাইরাসের প্রিয় লক্ষ্যবস্তু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাস কী করতে পারে &lt;/strong&gt;&lt;br&gt;ভাইরাস
 যা করতে পারে তা হলো : গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ফেলে দিতে পারে। বিভিন্ন ধরনের 
মেসেজ দিয়ে ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করতে পারে। হার্ডডিস্কের জায়গা দখল করে
 ভলিউম কমিয়ে দিতে পারে। হার্ডডিস্কের পার্টিশন ভেঙে নতুন পার্টিশন তৈরি 
করতে পারে। সিস্টেমের সময়, তারিখ পরিবর্তন করতে পারে বা সিস্টেমের গতি 
কমানো এমনকি হ্যাং করে দিতে পারে। কম্পিউটারের বিভিন্ন পোর্ট যেমন 
কম্প্যাটিবল পোর্টকে নিûিক্রয় করে দিতে পারে। হার্ডডিস্ক বা ফ্লপি ডিস্কের 
নিয়ন্ত্রণ বিচ্ছিন্নভাবে নিতে পারে। ফাইল, মেমোরি সাইজের পরিবর্তন করতে 
পারে। বুট টাইম বাড়িয়ে কম্পিউটার চালুর সময় বিলম্বিত করতে পারে। প্রিন্টার,
 কি-বোর্ড, মডেমের স্বাভাবিক কাজে বাধা তৈরি, বিভিন্ন ধরনের অযাচিত শব্দ, 
চিত্র, মেসেজ প্রদর্শন। অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ লুকানো বা মুছে 
ফেলা। ভবিষ্যতে যে ভাইরাস আসবে তাদের ক্ষতিকর প্রভাব আরো ভয়ঙ্কর হবে বলে 
ধারণা করা হচ্ছে। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়&lt;/strong&gt; &lt;br&gt;ভাইরাস
 থেকে বাঁচার সহজ উপায় হচ্ছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা। 
স্পাইওয়্যারের জন্য অ্যান্টিস্পাইওয়্যার, স্প্যামের জন্য অ্যান্টিস্প্যাম। 
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের বিভিন্ন ডেমো ভার্সন পাওয়া যায়। ইন্টারনেট থেকে
 এগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। তবে সমস্যা হচ্ছে অনেক ডেমোভার্সন 
নির্দিষ্ট সময় পর আর কাজ করে না। কোনো কোনো কোম্পানি আবার ফিন্স সংস্করণও 
দেয়। এগুলো নির্দিষ্ট সময় পর নিûিক্রয় হয় না। তবে নতুন ভাইরাস এলে 
অ্যান্টিভাইরাস আপডেট না করলে ভাইরাস ধরা যায় না। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে 
স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়। এ ছাড়াও ওয়েবসাইট থেকে আপডেট ফাইল ডাউনলোড 
করেও ইনস্টল করা যায়। সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট তাদের ‘উইন্ডোজ লাইভ 
ওয়ান কেয়ার’ অ্যান্টিভাইরাসটি ৯০ দিনের ফিন্স ভার্সন দেয় যা তাদের ওয়েবসাইট
 থেকে ডাউনলোড করা যায়। এ ছাড়া ম্যাকআফি, এভিজি, সিমেনটেক ইত্যাদি 
কোম্পানিও ডেমো, ফিন্স ভার্সন দেয়। ভাইরাসের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে 
অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানির সংখ্যা। অনেক অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানি ভাইরাস 
নির্মাতাদের চাকরি দেয়। কারণ সে ভাইরাসের খুঁটিনাটি জানে ফলে এর বিরুদ্ধে 
কার্যকর ব্যবস্খা নিতে পারে সে। কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে ভাইরাস থেকে 
নিরাপদ থাকা যায়­ নিয়মিত হার্ডডিস্ক অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করা। 
অপরিচিত ফাইল বা সন্দেহজনক ফাইল না খোলা। ই-মেইলে সংযুক্ত কোনো ফাইল 
নিশ্চিত হয়ে খোলা। অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো ফাইল না খোলা। ইন্টারনেট থেকে 
কোনো ফাইল বা সফটওয়্যার ডাউনলোড করার আগে দেখে নেয়া যে, সাইটটি বিশ্বস্ত কি
 না। ডাউনলোড করা ফাইল খোলা বা সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে অ্যান্টিভাইরাস 
দিয়ে স্ক্যান করা। গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ব্যাকআপ রাখা বা সিডিতে সংরক্ষণ করে
 রাখা। ডায়ালআপ কানেকশনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের পর সংযোগ খুলে 
রাখা। নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার আপডেট করা। কোনো ই-মেইলকে ভাইরাস 
মনে হলে অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিকে সেটা পাঠানো যায়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে 
তাদের সফটওয়্যারের ক্রেতা হতে হবে। নতুন ভাইরাস এবং তাদের ক্ষতিকর প্রভাব 
সম্বìেধ সচেতন থাকা। সিস্টেম রিস্টোর বা অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল 
করেও ভাইরাস দূর করা যায়। কিছু ভাইরাস আছে যারা সিস্টেম রিস্টোর এবং 
অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন টাস্ক ম্যানেজার বা কমান্ড 
প্রম্পট নিûিক্রয় করে দেয়। যেমন সিয়াজের ভাইরাস। তখন নতুন সেটআপ ছাড়া উপায় 
নেই। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অ্যান্টিভাইরাস যেভাবে কাজ করে&lt;/strong&gt; &lt;br&gt;দু’টি 
কৌশলে কাজ করে অ্যান্টিভাইরাস : ১. প্রতি অ্যান্টিভাইরাসের একটি ভাইরাস 
ডিকশনারি থাকে। সেখানে পরিচিত ভাইরাসের বিবরণ থাকে। সফটওয়্যারটি ফাইলের 
সাথে ভাইরাস ডিকশনারিতে রক্ষিত বিবরণ মিলিয়ে দেখে। মিলে গেলে এটাকে ভাইরাস 
হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্খা গ্রহণ করে। এই পদ্ধতির সমস্যা হচ্ছে নতুন 
ভাইরাস ধরা যায় না। ২. দ্বিতীয় পদ্ধতিটি ভাইরাসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য, কোনো 
প্রোগ্রামের সন্দেহজনক আচরণ শক্তিশালী এলগরিদমের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে। 
ডেটা বিশ্লেষণ, পোর্ট মনিটরিং এবং অন্যান্য কৌশলে কাজ করে এই পদ্ধতিটি। &lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভাইরাস
 তৈরি কোনো বৈধ কাজ নয়। এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ। এই অপরাধ দমনের লক্ষ্যে
 তৈরি হয়েছে সাইবার আইন। তবুও থেমে নেই ভাইরাস প্রোগ্রামাররা। নিত্যনতুন 
ভাইরাস ছাড়ছে তারা। বসে নেই অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিগুলো। ভাইরাসের সাথে 
পাল্লা দিতে তারাও ছাড়ছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের আধুনিক সংস্করণ। 
ভবিষ্যৎ ভাইরাসের গতি-প্রকৃতি, আচরণ চিহ্নিত করতে চালাচ্ছে গবেষণা। ভয়ঙ্কর 
এই কম্পিউটার ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রতিরোধের পাশাপাশি দরকার 
সচেতনতা তৈরি করা এবং অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা ।&lt;/p&gt;</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:15:35 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>নামাজ পড়া হার্টের জন্য ভালো।</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/নামাজ-পড়া-হার্টের-জন্য-ভালো।</link>
            <description>আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী পুড়ো এক বছর গবেষণা করে দেখেছেন যে, &lt;strong&gt;নামাজ পড়া হার্টের জন্য ভালো। &lt;/strong&gt;গবেষণাটি
 চালানো হয় ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে। গবেষণাটি করা হয় 
এপ্রিল ১৯৯৭ থেকে এপ্রিল ১৯৯৮ পর্যন্ত। তারা মোট ১৫০ জন রোগীর 
এনজিওপ্লাস্টি করেছেন। এনজিওপ্লাস্টি করার পর দেখেছেন যারা নামাজ পড়েন না 
তাদের তুলনায় যারা নামাজ পড়েন তাদের হার্টের অবস্থা খুবই ভালো।</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:12:54 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>মানবদেহে রহস্যময় বিদ্যুৎ</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/মানবদেহে-রহস্যময়-বিদ্যুৎ</link>
            <description>গভীর সমুদ্রের ইলেকট্রিক মাছের কথা আমরা জানি। 'ইলেকট্রিক রে' এবং 
'ইলেকট্রিক ঈল' মাছের শরীরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা আছে। এটা ওদের বিশেষ 
ক্ষমতা। আর এ ক্ষমতাকে ওরা ব্যবহার করে শত্রুর কাছ থেকে বাঁচতে এবং শিকার 
করার কাজে। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্য, মানব শরীরেও বিদ্যুৎ উৎপন্ন হতে 
পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এ রকম অনেক উদাহরণ আছে। এটা মানব শরীরের 
রহস্যময় এক ভয়াবহ অস্বাভাবিকতা। এটা হঠাৎ করেই কারো শরীরে উপস্থিত হতে পারে
 আবার হঠাৎ করেই চলে যেতে পারে। পৃথিবীতে যে ক'জন মানুষ এই অস্বাভাবিকতা 
প্রাপ্ত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে একজন হলেন কানাডার ওন্টারিও শহরের ক্যারোলিন
 ক্লেয়ার। একবার তিনি প্রচণ্ড- অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ডাক্তার নিশ্চিত হলেন, 
ক্লেয়ার এক বছরের বেশি আর বাঁচবেন না। তার হাঁটাচলা বন্ধ ছিল। একদিন মনের 
জোরে তিনি বিছানা ছাড়লেন এবং হেঁটে হেঁটে একটা চেয়ারের দিকে এগিয়ে গেলেন। 
চেয়ারে হাত রাখা মাত্র তিনি চমকে উঠলেন এবং বুঝতে পারলেন তার শরীরে বিদ্যুৎ
 প্রবাহিত হচ্ছে। ধপ করে বসে পড়লেন তিনি। নার্স ছুটে এলেন সাহায্য করতে। 
কিন্তু প্রচন্ড শক খেয়ে ছিটকে পড়লেন দুরে। ডাক্তারদের মধ্যে হৈচৈ পড়ে গেল। 
ক্যারোলিনের দেহ পরীক্ষা করে তারা সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের অস্তিত্ব নিশ্চিত 
হলেন। জীবনটা তার দুর্বিষহ হয়ে উঠল। ধাতব কোনো কিছু তিনি স্পর্শ করতে 
পারতেন না। তবে কিছুদিনের মধ্যেই তিনি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পান এবং ধীরে 
ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।&lt;br&gt;বার্লিনের এক ছোট গাঁয়ের বালিকা জেনির জীবনেও 
ঘটেছিল এমন একটি ঘটনা, যা তার স্বাভাবিক জীবনকে করেছিল ভয়ঙ্কর। জেনি ছিল 
স্বাস্থ্যবতী স্বাভাবিক এক বালিকা। কিন্তু একদিন পানি আনতে গিয়ে টিউবওয়েলের
 হ্যান্ডেলে তার হাত স্পর্শ করা মাত্র বিদ্যুতের স্ফুলিঙ্গ দেখা গেল। ভয়ে 
মেয়েটি চিৎকার করে ওঠে এবং সে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের খুলে 
বলতে পারে না কেন সে চিৎকার করে উঠেছিল। এরপর তার মা মেয়ের মাথায় হাত 
রাখতেই প্রচন্ড শক খেলেন এবং বুঝতে পারলেন কেন তার মেয়ে চিৎকার করে উঠেছিল।
 কিন্তু কী কারণে এমন হলো বুঝতে না পেরে জেনিকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে 
যাওয়া হলো। ডাক্তাররা দেখলেন জেনির পুরো দেহে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে। 
কিন্তু এর যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পেলেন না। মানব শরীর কেন হঠাৎ 
বিদ্যুতায়িত হয় এর সঠিক কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞান আজও খুঁজে পায়নি।&lt;br&gt;জেনি 
মর্গান এবং ক্যারোলিন তাদের অস্বাভাবিক জীবন থেকে অল্পদিনেই সুস্থ 
হয়েছিলেন। কিন্তু পাউলাইন শো নামের এক মহিলাকে সারাজীবন বইতে হয়েছিল এ 
যন্ত্রণা। পাউলাইন বাস করতেন ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে। ৪৫ বছর বয়সে এ 
মহিলা হঠাৎ একদিন অজ্ঞান হয়ে যান। শরীরে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ প্রবাহের 
কারণেই তিনি জ্ঞান হারান। তার স্বামী তাকে স্পর্শ করতে গিয়ে কয়েকবার শক 
খেয়েছেন। তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তার এ অস্বাভাবিকতা শুরু হয়। তিনি 
ধাতব কিছু স্পর্শ করলেই ঝলকে উঠত বিদ্যুৎস্ফুলিঙ্গ। দেহের এ অস্বাভাবিকতা 
কারণে তার জীবনটা অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। ডাক্তাররা এ রহস্যময় রোগের কোনো চিকিৎসা 
খুঁজে না পেয়ে শুধু দিনে তিনবার গোসল করার জন্য তাকে পরামর্শ দেন। আর পায়ের
 গোড়ালিতে একটি তার লাগিয়ে দেওয়া হয় যেন তা সব সময় মাটি স্পর্শ করে থাকে। 
কিন্তু এতকিছুর পরও পাউলাইন ফিরে পাননি তার স্বাভাবিক জীবন।&lt;br&gt;অক্সফোর্ড 
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ড. মাইকেল শেলিস মনে করেন, দেহের এ ধরনের 
বিদ্যুৎকে তারের মাধ্যমে মাটিতে নামিয়ে দেওয়া সম্ভব। মানবদেহে এ বৈদ্যুতিক 
সমস্যা কেন হয়, তা কোনো বিজ্ঞানী আজও উদ্ঘাটন করতে পারেননি। কেউ কেউ মনে 
করেন, ভিনগ্রহের চৌম্বক মানবদেহে এসে পড়লে এমনটি হতে পারে। যে যেভাবেই বলুক
 না কেন, বিষয়টি আজও রহস্যজনক।</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:11:52 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>পৃথিবী বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে ...</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/পৃথিবী-বর্তমান-অবস্থান-সম্পর্কে-দারুন-কিছু-ইন্টারেস্টিং-তথ্য</link>
            <description>&lt;p&gt;পৃথিবী বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে দারুন কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য পেলাম। এই মুহুর্তে:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পৃথিবীর টোটাল জনসংখ্যা: 6,740,343,885 &lt;br&gt;জন্ম-মৃত্যু রেশিও আনুমানিক ৩:১&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতি পাচ মিনিটে বাইসাইকেল তৈরি হচ্ছে ১০০০ টি (প্রায়)&lt;br&gt;শেষ পাচ মিনিটে কম্পিউটার তৈরি হয়েছে ৮০০ টি (প্রায়) &lt;/p&gt;প্রতি মিনিটে কার্বন এমিশন হয় 51,426 টন! &lt;br&gt;প্রতি মিনিটে মিলিটারি এক্সপেনডিচার: US$ 2375412</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:09:29 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>এনার্জী সেভিং বা সাধারণ ...</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/এনার্জী-সেভিং-বা-সাধারণ-ফ্লুরোসেন্ট-লাইটের-ব্যবহারে-কিছু-শারিরীক-অসুবিধা-দেখা-দিতে-পারে।</link>
            <description>&lt;p&gt;যাদের মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন বা এপিলেপ্সীর সমস্যা আছে তাঁরা বাড়িতে ফ্লুওরোসেন্ট বাল্ব লাগাবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;traditional
 incandescent বাল্বে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহে আলো নি;সৃত হয়। পক্ষান্তরে 
ফ্লুওরোসেন্ট বাল্বে স্ট্রোব (strobe) ইফেক্ট হয় - অর্থাৎ এই ধরণের বাল্বে 
সারাক্ষণ ফ্লিকার হতে থাকে। এটা খালি চোখে দেখা যায়না বলে অনেকেই বুঝতে 
পারেনা। (আমাদের ব্রেন সেকন্ডে ৬০ সাইকল বুঝতে পারে, কিন্তু আধুনিক CFL 
বাল্বের রিফ্রেশ রেইট হলো সেকেন্ডে ১০,০০০ থেকে ৪০,০০০ সাইকেল) এই 
চোরাগোপ্তা ফ্লিকারিং বা ভাইব্রেশনের কারণে কিছু শারিরীক অসুবিধা দেখা দিতে
 পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;CFL-এ দীর্ঘ দিন থাকলে মাইগ্রেণ রূগির মাইগ্রেন এ্যাটাক হতে 
পারে। মৃগী রোগী হঠাৎ এপিলেপ্টিক এ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারেন। এছাড়াও 
সুস্থ মানুষের ছোটোখাটো মাথা ব্যাথা, অবসাদ, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘুরানো 
বোধ হতে পারে। এমনকি লুপাস রোগীরা এই আলোতে বেশিক্ষণ থাকলে শরীরে ব্যাথা 
অনুভব করেন বলেও শোনা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এই অসুবিধাগুলো বেশি হয় পুরণো 
প্রযুক্তির ফ্লুওরোসেন্ট বাল্ব - মানে বাজারের ম্যাগনেটিক ব্যালাস্ট-ওয়ালা 
&quot;টিউব লাইট&quot;-এ। আধুনিক compact fluorescent light (CFL)-এ এটা অনেক কমিয়ে 
আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারপরও CFL-এর কিছু অসুবিধা তো আছেই - যে কারণে এখন CFL বাদ দিয়ে LED-based বাল্ব বানানোর চেষ্টা করছেন ব্রিটিশ রিসার্চাররা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এক
 জায়গায় দেখলাম, CFL বাল্বে নাকি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী রেডিয়েশন করে - এই 
রেডিয়েশনের কারণে শারিরীক সমস্যাগুলো হতে পারে। এটা টেস্ট করার একটি সহজ 
টেকনিক আছে - জ্বলন্ত CFL বাল্বের কাছে একটি AM radio চালিয়ে কোনো এক্সট্রা
 স্ট্যাটিক শুনতে চেষ্টা করুন। নয়েজ থাকলে বুঝবেন আপনার বাল্বে রেডিয়েশন 
হচ্ছে। তবে এই রেডিয়েশনের পরিমাণ নাকি মোবাইল বা কম্পিউটারের চাইতে কয়েকগুণ
 কম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এছাড়া কিছু নান্দনিক ব্যাপারও এখানে জড়িত। কালার টেম্পারেচার 
এ্যানালাইসিস করে দেখা গেছে, ভালো মানের CFL বাল্বের রেটিং ২৭০০ কেলভিন - 
এই বাল্বগুলো কালার স্পেক্ট্রামের লাল/হলুদ দিকের আলো বিচ্ছুরণ করে। এই 
ফ্রিকোয়েন্সীর আলো দৃষ্টি নন্দন। তবে কম দামী বা পুরণো প্রযুক্তির CFL 
বাল্বের রেটিং ৫,০০০ কেলভিন - এরা একটু বিরক্তিকর সাদা/নীল আলো বিচ্ছুরণ 
করে।&lt;/p&gt;</description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:04:33 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গাছ</title>
            <link>http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/palash-blog/বর্তমানে-পৃথিবীর-সবচেয়ে-বড়-গাছ</link>
            <description>বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গাছটির উচ্চতা ১১২ মি(৩৬৭.৫ ফুট)। এটা স্ট্যাচু
 অব লিবার্টির চেয়েও ৫ তালা বড়।&amp;nbsp; এটার অবস্থান আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার 
মন্টগোমারি স্টেট রিজার্ভ এ অবস্থিত। অনুমান করা হয় এর বয়স প্রায় ১০০০ বছর।
 ১৯৯৮ সালে এই গাছের মাপ নিয়ে দেখা গেখা গেছে এর ব্যাস ৩.১৪ মি( ১০.৩ ফুট)।
 এটাকে ১৯৯৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাছ হিসাবে ঘোষনা করা হয়।&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://palashworld.yolasite.com/palash-blog/page/resources/resources/134_dsc03107.jpg&quot;&gt; </description>
            <pubDate>Thu, 11 Aug 2011 19:01:13 +0100</pubDate>
        </item>
    </channel>
</rss>
